Total Page viewers

Sunday, July 15, 2012

আগেই জেনে নিন আপনার বাচ্চা দেখতে কেমন হবে


জেনে নিন ২০ বছর পরে আপনি দেখতে কেমন হবেন

সত্যি আপনি ২০ বছর পর দেখতে কেমন হবেন তা জানতে পারবেন এই সফটওয়্যারের মাধ্যমে। কি অবাক হচ্ছেন? তাহলে নিচের ছবি দেখুন।
ব্যবহার করা খুব সহজ। প্রথমে আপনার ছবি বা আপনার প্রিয় জনের ছবি লোড করে নিন। এখন আপনার ছবির চেহারাটা জুম করে নিন। মনে রাখবেন চশমা বা চুল দিয়ে ঢাকা চেহারার এমন ছবি দিয়ে চেষ্টা করবেন না। তারপর Next এ ক্লিক করে কিছুক্ষন অপেক্ষা করুন। তারপর দেখুন মজা!

বর্তমান অবস্থাঃ


angeline জেনে নিন ২০ বছর পরে আপনি দেখতে কেমন হবেন

২০ বছর পরের অবস্থাঃ


angeline2 জেনে নিন ২০ বছর পরে আপনি দেখতে কেমন হবেন
হা হা কি মনে হয়? আমি এমন হবো? এমন না হলেও এর কাছাকাছি হয়তো হব। আর আমার চশমার কারনে ভাল মতো হয় নাই। যাই হোক এবার আপনার পালা!!!এটি একটি প্রেমিয়াম সফটওয়্যার। কিন্তু আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য একদমই ফ্রি ফ্রি ফ্রি।।

ডাউনলোড লিংক

সাথে সিরিয়াল  ফাইল যেটা আছে তা ইন্সটল করা ফোল্ডারে রিপ্লেস করে তারপর সিরিয়াল কী দিন।আশা করি সবার কাজে লাগবে। একটা কথা আপনি কিন্তু আপনার মেয়ে বন্ধুর ছবি নিয়ে এমন মজা করতে পারেন।

রক্ত, রক্তের গ্রুপ সম্পকে জানুন

রক্ত :

রক্ত কি ? প্রশ্নটির উত্তর সাধারণভাবে দিলে বলা যায় শরীরের কোন অংশে কেটে গেলে লাল রঙের যে তরল পদার্থ বের হয়ে আসে তাই রক্ত । ইহা স্বাদে লবণাক্ত, অস্বচ্ছ, ঈষৎ ক্ষারীয় ও আঠালো চটচটে তরল পদার্থ । একজন পূর্ণবয়স্ক সুস্থ মানুষের দেহে গড়ে ৫ থেকে ৬ লিটার রক্ত থাকে। প্রধানত অস্তিমজ্জায় রক্ত উৎপন্ন হয় ।
রক্তের উপাদান : রক্ত প্রধানত দুটি উপাদান নিয়ে গঠিত ।যথা :
  • ১। রক্তরস বা প্লাজমা
  • ২। রক্ত কণিকা

রক্তরস :

রক্তের হালকা হলুদ বর্ণের তরল অংশকে রক্তরস বা প্লাজমা বলে ।এই রক্তরসে রক্তকণিকা ভাসমান অবস্থায় থাকে ।রক্তরসে পানির পরিমাণ ৯২% । এছাড়াও রক্তরসে গ্লুকোজ, অ্যামাইনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল, আমিষ (যেমন : অ্যালুবুমিন, ফিব্রিনোজেন), খনিজলবণ, হরমোন, ভিটামিন, ইউরিয়া, এন্টিবডি, অক্সিজেন, কার্বনডাইঅক্সাইড ও অন্যান্য বর্জ্য পদার্থ ।

রক্তকণিকা :

রক্তরসের মধ্যে ছড়ানো বিভিন্ন ধরনের কোষকে রক্তকণিকা বলে । রক্তের ৪৫% হলো রক্তকণিকা । মানুষের রক্তে তিন ধরণের কণিকা থাকে । যথা :
  • ১। লোহিত রক্তকণিকা
  • ২। শ্বেত রক্তকণিকা
  • ৩। অনুচক্রিকা

১। লোহিত রক্তকণিকা : লোহিত রক্তকণিকা ক্ষুদ্রাকার, দ্বিঅবতল চাকতির মত । এরা নিউক্লয়াসবিহীন । হিমোগ্লোবিনর নামক একপ্রকার রঞ্জক পদার্থ থাকার কারণে কণিকাগুলো লাল দেখায় । দেহে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ২০ লক্ষ কণিকা তৈরি হয় । একটি লোহিত কণিকার গড় আয়ু ৪ মাস ।
লোহিত রক্তকণিকা
শ্বেত রক্তকণিকা : শ্বেত রক্ত কণিকা নির্দিষ্ট আকার বিঞীন ও নিউক্লিয়াস যুক্ত । সুস্থ মানব দেহে প্রতি কিউবিক মিলিলিটার রক্তে ৬০০০ থেকে ১১০০০ শ্বেত কণিকা থাকে ।
শ্বেত রক্তকণিকা
অনুচক্রিকা : অনুচক্রিকা সবচেয়ে ক্ষুদ্র রক্তকণিকা । এরা গোল, ডিম্বাকার বা বৃত্তের মত এবং গুচ্ছাকারে থাকে । এতে নিউক্লিয়াস থাকে না । এএদের গড় আয়ু ৫ থেকে ১০ দিন ।

রক্তের কাজ :

  • ১। রক্ত সারা দেহে পানি ও তাপের সমতা রক্ষা করে ।
  • ২। লোহিত রক্তকণিকা হিমোগ্লোবিনের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে কোষে কোষে অক্সিজেন পরিবহণ করে ।
  • ৩। শ্বেত রক্তকণিকা ফ্যাগোসাইটোসিস প্রক্রিয়ায়য় রোগজীবাণু ধ্বংস করে দেহকে সুস্থ রাখে ।
  • ৪। দেহের কোন স্থান কেটে গেলে অনুচক্রিকা সে সস্থানে রক্ত জমাট বাঁধায় । ফলে ক্ষতস্থান থেকে রক্তপাত বন্ধ হয় ।
  • ৫। রক্তরসের মাধ্যমে কার্বন ডাইঅক্সাইড, ইউরিয়া, হজমকৃত খাদ্যবস্তু(যথা : গ্লুকোজ, অ্যামিনো এসিড, ফ্যাটি এসিড, গ্লিসারল), হরমোন ইত্যাদি দেহের বিভিন্ন অংশে পরিবাহিত হয় ।

রক্তের গ্রুপ :

অস্ট্রিয়া বংশোদ্ভূত আমেরিকান বিজ্ঞানি কার্ল লেন্ডস্টেইনার ১৯০১ খ্যীস্টাব্দে মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় প্লাজমা মেমব্রেনের বাইরের দিকে এন্টিজেন নামক প্রোটিনের অস্তিত্ব আবিস্কার করেন । এই এন্টিজেন সাধারনত দুই ধরণের হয় যথা : এন্টিজেন এ এবং এন্টিজেন বি ।কোন একজন মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় এন্টিজেন এ অথবা এন্টিজেন বি অথবা এন্টিজেন এ ও বি উভয়ই উপস্থিত থাকতে পারে অথবা এন্টিজেন এ ও বি উভয়ই অনুপস্থিত থাকতে পারে । মানুষের লোহিত রক্তকণিকায় এন্টিজেনের উপস্থিতি ও অনুপস্তিতির উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞানী তার্ল লেন্ডস্টইনার ১৯০১ ক্রীস্টাব্দে মানুষের রক্তের যে শ্রেনীবিন্যাস করেন তাকে রক্তগ্রুপ বা এবিও রক্তগ্রুপ বলে । এজন্য ১৯৩০ খ্রীস্টাব্দে তিনি চিকিৎসাশাস্ত্রে নোবেল পুরস্কার পান ।
মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় যেরূপ এন্টিজেন থাকে তারসাথে সামঞ্জস্য রেখে রক্তরস বা প্লাজমায় এন্টবডি নামক বিশেষ ধরণের প্রোটিন থাকে । মানুষের প্লাজমায় দুই ধরণের এন্টিবডি থাকে, যথা : ১। এন্টিবডি এ ২। এন্টিবডি বি ।

এভাবে এন্টিজেন ও এন্টিবডির উপস্থিতির উপর ভিত্তি করে সমগ্র মানবজাতির রক্তকর চারটি গ্রুপে ভাগ করা হয় । যথা : এ, বি, এবি এবং ও ।

যে নির্দিষ্ট ব্যক্তির রক্তে যে এন্টিজেন নেই, শুধু সেই এন্টিবডি সেখানে পাওয়া যাবে । অর্থাৎ এ গ্রুপে এ এন্টিজেন, বি গ্রুপে বি এন্টিজেন এবং এবি গ্রুপে এ ও বি উভয় এন্টিজেন থাকে । ও গ্রুপের রক্তে কোন এন্টিজেন নেই কিন্তু রক্তরসে এ ও বি দুরকম এন্টিবডিই থাকে । প্রতিটি এন্টবডি তার সমগোত্রীয় এন্টিজেনের সাথে বিক্রিয়া করে রক্তকে জমাট বাঁধায় অর্থাৎ এন্টিবডি এ, ্এন্টিজেন এ এর সাথে এবং এন্টিবডি বি, এন্টিজেন বি এর সাথে বিরূপ বিক্রিয়া ঘটায় । এজন্য রক্ত গ্রহণ ও প্রদানের পূর্বে অবশ্যই রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করতে হয় । চলুন দেখি কে কোন গ্রুপকে রক্ত দিতে পারবে এবং কার কাছ থেকে রক্ত নাতে পারবে :

এ গ্রুপের রক্তের এন্টিবডি বি গ্রুেপর লোহিত কণিকাকে জমিয়ে দেয় । তদ্রূপ বি গ্রুপের রক্তের এন্টিবডি এ গ্রুপের রক্তের লোহিত কণকাকে জমিয়ে দেয় । কিন্তু এবি গ্রুপের রক্তের প্লাজমায় কোন এন্টিবডি না থাকায় অন্য গ্রুপের রক্তকে জমাতে পারে না । এজন্য এবি গ্রুপধারী মানুষ যেকোন গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করতে পারে । তাই এবি গ্রুপকে সর্বজনীন গ্রহীতা গ্রুপ বলা হয় ।

আবার ও গ্রুপের রক্তের লোহিত কণিকায় কোন এন্টিজেন না থাকায় অন্য যে কোন গ্রুপের রক্তের সাথে সহজেই মিশতে পারে । তাই ও রক্ত গ্রুপের মানুষ যেকোন গ্রুপধারী মানুষকে রক্ত দিতে পারে । এজন্য ও গ্রুপকে সর্বজনীন দাতা গ্রুপ বলা হয ।
উল্লেখ্য যে, ও গ্রুপ অন্য সকল গ্রুপকে রক্ত দিতে পারে কিন্তু অন্য কোন গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে না এবং এবি গ্রুপ অন্য সকল গ্রুপ থেকে রক্ত গ্রহণ করতে পারে কিন্তু অন্য কাউকে রক্ত দিতে পারে না ।

চলুন দেখি রক্তের গ্রুপ নির্ণয় করার কিছু ছবি :






Rh ফ্যাক্টর : কার্ল লেন্ডস্টেইনার এবং এ. এম উইনার ১৯৪০ খ্রিস্টাব্দে রেসাস বানর এর লোহিত কণিকায় এক ধরণের এন্টিজেন আবিষ্কার করেন । এই এন্টিজেনকে রেসাস এন্টিজেন বা রেসাস ফেক্টর বা Rh ফ্যাক্টর বলে ।পরবর্তীতে মানুষের লোহিত রক্ত কণিকাতেও এদের উপস্থিতি নিশ্চিত করেন । গবেষণায় প্রমানিত হয়েছে যে প্রায় ৮৫% মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় আর এইচ ফ্যাক্টর বিদ্যমান থাকে ।যেসব মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায়্‌ আরএইচ ফ্যাক্টর বিদ্যমান থাকে তাদের রক্তগ্রুপকে আরএইচ পজেটিভ এবং যেসব মানুষের লোহিত রক্ত কণিকায় আরএইচ ফ্যাক্টর অনুপস্থিত থাকে তাদের রক্তগ্রুপকে এরএইচ নেগেটিভ বলা হয় । যেমন : এ পজেটিভ, এ নেগেটিভ, বি পজেটিভ, ও পজেটিভ, এবি নেগেটিভ ইত্যাদি ।প্রধানত দুই ক্ষত্রে আরএইচ ফ্যাক্টর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে, যেমন :
  • ১। আরএইচ নেগেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট কোন রোগীর দেহে আরএইচ পজেটিভ গ্রুপের রক্তের সঞ্চারণ ঘটালে দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যেই রোগীর দেহের প্লাজমায় আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি সৃষ্টি হয় । ঐ রোগী যদি পরবর্তীতে কখনও আরএইচ পজেটিভ গ্রুপের রক্ত গ্রহণ করে তাহলে আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডির প্রভাবে গৃহীত রক্তের লোহিত কণিকাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে । এতে বিভিন্ন অসুবিধাসহ রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে ।অবশ্য গ্রহীতা যদি পরবর্তীতে আরএইচ পজেটিভ গ্রুপের রক্ত গ্রহণ না করে তবে রক্ত স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে ।
  • ২। আরএইচ নেগেটিভ রক্তগ্রুপ বিশিষ্ট মহিলার সাথে আরএইচ পজেটিভ রক্তগ্রুপের কোন পুরুষের বিয়ে হলে তাদের সন্তান জন্মের ক্ষেত্রে আরএইচ ফ্যাক্টর অত্যন্ত গুরুত্ব বহন করে ।জেনেটিকভাবে আরএইচ পজেটিভ অবস্থা আরএইচ নেগেটিভ অবস্থার উপর প্রকট হওয়ায় এই দম্পত্তির প্রথম সন্তান আরএইচ পজেটিভ হবে । এই শিশু মাতৃগর্ভে থাকাকালীন সময়ে মায়ের রক্তে আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি সৃষ্টি হবে ।প্রথমবার গর্ভধারণকালে আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি যথেষ্ট পরিমাণে উৎপাদিত না হওয়ায় শিশুর কোন ক্ষতি হয় না এবং এই শিশু জীবিত থাকে ।কিন্তু দ্বিতীয় বা পরবর্তী সময়ে আরএইচ পজেটিভ সন্তান ধারণকালে পূর্বে উৎপাদিত মায়ের রক্তের আরএইচ নেগেটিভ এন্টিবডি অমরার মাধ্যমে ভ্রুণে প্রবেশ করে এবং ভ্রুণের লোহিত কণিকাগুলো ধ্বংস করতে থাকে । এতে ভ্রুণ বিনষ্ট হয়, গর্ভপাত ঘটে বা সদ্যজাত শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত ঘটে।এ অবস্থায় শিশু জীবিত থাকলেও তার দেহে প্রচন্ড রক্তাল্পতা এবং জন্মের পর জন্ডিস রোগ দেখা দেয় ।তাই বিয়ের আগে হবু বর কণের রক্ত পরীক্ষা করে নেয়া উচিত এবং উভয়েরই একই আরএইচ ফ্যাক্টরভুক্ত অর্থাৎ হয় উভয়ই আরএইচ পজেটিভ নয়তো উভয়েরই আরএইচ নেগেটিভ দম্পতি হওয়া উচিত ।
পরিশেষে বলা যায় রক্ত দান বা গ্রহণ করার সময় শুধু রক্তের গ্রুপই নয় রক্তের আরএইচ ফ্যাক্টর নির্ণয় এবং রক্তে জীবাণুর উপস্থিতি সম্বন্ধেও পরীক্ষা করা উচিত । জরুরী রক্ত গ্রহণ বা দানের দরকার হলে দাতা ও গ্রহীতার রক্তের গ্রুপ জানা না থাকলে ও এবং আরএইচ নেগেটিভ রক্ত গ্রহণ বা দান করাই উত্তম।

Friday, July 6, 2012

আপনার ফেসবুক Notification পান আপনার নিজের মোবাইলে তাও আবার SMS এর মাধ্যমে (একদম বিনামূল্যে)

ফেসবুক নোটিফিকেশন আপনার মোবাইলে পেতে নিম্নের ধাপগুলো অনুসরণ করতে হবে ‍ঃ
১। প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্টটে লগিন করুন।
২। তারপর আপনার Account থেকে Account Settings এ যান।
৩। তারপর Mobile ট্যাব-এ যান।
৪। তারপর আপনি যে নম্বরে আপনার ফেসবুক ষ্টাটাস পেতে চান সেটি থেকে fb লিখে নিম্নোক্ত নম্বরে সেন্ড করুন।
2555 (গ্রামীণফোন ‌ইউজারদের জন্য)
32665 (বাংলালিংক ইউজারদের জন্য)
৫। ফিরতি এস.এম.এস এ আপনাকে একটি Confirmation Code দেওয়া হবে।
৬। এবার Already received a confirmation code? এ ক্লিক করুন।
৭। আপনি যে Confirmation Code -টি পেয়েছেন সেটি নিচের বক্সটিতে লেখুন।
৮। এবার Confirm এ ক্লিক করুন।
ব্যাস হয়ে গেলো ।!!!
এখন আপনি কি কি নোটিফিকেশন আপনার মোবাইলে পেতে চান তার সেটিংগুলি করে দিন।
এখন আপনি আপনার মোবাইল থেকেই পাবেন ফেসবুকের যাবতীয় খবর। চাইলে মোবাইল থেকেও আপনি আপনার ফেসবুকের Wall এ আপনার ষ্টাটাস পোষ্ট করতে পারবেন, আপনার যদি কোন ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট থাকে, যদি কেউ আপনার ফ্রেন্ড রিকুয়েষ্ট গ্রহণ করে ইত্যাদি আরো অনেক খবর আপনার মোবাইলে এস.এম.এস এর মাধ্যমে ফেসবুক আপনাকে জানাবে।
বিঃ দ্রঃ  Confirmation SMS আসতে অনেকসময় ২৪ সময়ও লাগতে পারে।

Wednesday, July 4, 2012

চীনের তৈরি কৃত্রিম ডিম ঢুকছে বাংলাদেশে যা মানব দেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর।

Egg
ব্যবসায়ী ভাইয়েরা আমাদের অন্তত সুস্থ ভাবে বাঁচতে দিন। অনেকে এটাকে হক্স বলে উড়িয়ে দিচ্ছেন। কিন্তু মায়ানমারের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট মর্নিং নিউজ এজেন্সি সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে এ বিষয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ইয়াঙ্গুনসহ দেশটির বিভিন্ন এলাকায় সীমান্তের চোরাপথে চীন থেকে কৃত্রিম ডিম পাচার হয়ে আসছে। যা দেখতে অবিকল হাঁস মুরগির ডিমের মতো। , ‘২০০৪ সাল থেকেই তৈরি হচ্ছে কৃত্রিম ডিম। যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রকাশিত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘দ্য ইন্টারনেট জার্নাল অফ টক্সোকোলজি’তে কৃত্রিম ডিম সম্পর্কে বিশ্লেষণধর্মী তথ্য প্রকাশ হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কৃত্রিম ডিমে কোনো খাদ্যগুন ও প্রোটিন নেই। বরং তা মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর। কিভাবে তৈরি হয় কৃত্রিম ডিম ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত প্রস্তুতপ্রনালীতে দেখা যায়, কুসুম ও সাদা অংশের সমন্বয়ে কৃত্রিম ডিম তৈরি করতে প্লাস্টিকের ছাঁচ ব্যবহৃত হয়। তবে তার আগে কুসম তৈরি করা হয় বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ দিয়ে। সরাসরি ক্যালসিয়াম ক্লোরাইড ও কালারিং ডাই দিয়ে লাল বা গাঢ় হলুদ রংয়ের কুসুম তৈরি করা হয়। তার ওপর অতি পাতলা স্বচ্ছ রাসায়নিকের আবরণ তৈরি করা হয়। যাতে কুসুম ও সাদা অংশ এক না হয়ে যায়। সাদা অংশ তৈরিতে ব্যবহার হয় ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রিজিন জিলাটিন ও এলাম। প্লাস্টিকের ছঁচ ডিমের সাদা অংশ তৈরি করে তার মাঝখানে ডিমের কুসুম তৈরি করা হয়। শেষ ধাপে ডিমের উপরের শক্ত খোলস তৈরিতে করা হয়। এর জন্য ব্যবহার করা হয় ওয়াক্স এর মিশনখানে ব্যবহার করা হয় প্যারাফিন, বেনজয়িক এসিড, বেকিং পাউডার, ক্যালসিয়াম কার্বাইড। সাদা অংশকে ওয়াক্সের দ্রবণে কিছুক্ষণ নাড়ানো চাড়ানো হয়। বাইরে থেকে স্বল্প তাপ প্রয়োগ করা হয়। এতেই তৈরি হয়ে যায় হুবহু ডিমের মতো দেখতে একটি বস্তু।
আসল ডিম থেকে নকল ডিম আলাদা করার উপায়ঃ
- কৃত্রিম অনেক বেশি ভঙ্গুর। অল্প চাপে ভেঙ্গে যায়।
- এ ডিম সিদ্ধ করলে এর কুসুম বর্ণহীন হয়ে যায়। ভাঙ্গার পর আসল ডিমের মতো কুসুম এক জায়গায় না থেকে চারপাশে ছড়িয়ে পড়ে।
-কৃত্রিম ডিম আকারে আসল ডিমের তুলনায় সামান্য বড় এবং এর খোলস মসৃণ।
ইন্টারনেট-এর বিভিন্ন সাইট থেকে আরো জানা যায়, চীনে তৈরী হওয়া এসব কৃত্রিম বা নকল ডিম এক কথায় বিষাক্ত। কৃত্রিম ডিম তৈরিতে ব্যবহৃত রাসায়নিক উপাদান ক্যালসিয়াম কার্বনেট, স্টার্চ, রেসিন, জিলেটিন মানবদেহের জন্য খুবই ক্ষতিকর। দীর্ঘদিন এ ধরনের ডিম খেলে স্নায়ুতন্ত্র ও কিডনিতে সমস্যা হতে পারে। ক্যালসিয়াম কার্বাইড ফুসফুসের ক্যান্সারসহ জটিল রোগের কারণ।

Tuesday, July 3, 2012

যেকোন ফাইলের পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করুন

আপনার কাছে এমন কিছু ফাইল রয়েছে যেগুলোতে লক পাসওয়ার্ড দেয়া। এই ফাইলগুলোর পাসওয়ার্ড আপনি ভুলে গেছেন। একটা সফটওয়ারের মাধ্যমে আপনি যেকোন ফাইলের পাসওয়ার্ড খুঁজে বের করতে পারবেন। সফটওয়্যারটির নাম হল Passware Kit Enterprise। এটি একটি পাসওয়ার্ড খোঁজার অনেকগুলো(৩০টির মত) সফটওয়্যারের সমষ্টি । যেসব সফটওয়্যার এখানে আছে তা হল: 1-2-3 key, Acrobat key, Act key, Asterisk key, Backup key, BestCrypt key, Efs key, FileMaker key, Internet Explorer key, Lotus Notes key, Lotus Word Pro key, Mail Key, Messenger Key, Money key, Myob Key, Network Connections Key, Office key, OneNote Key, Organizer Key, Outlook Express Key, Paradox key, Passware kit enterprise Help, Peachtree key, Project Key, Quattore Pro Key, QuickBooks key, Quicken Key, rar key, Schedule key, Sql Key, Windows key, Wordperfect key, Zip key ইত্যাদি।

download link

আপনার গোপনীয় ফাইল/ ফোল্ডার কে রাখতে পারেন সুরক্ষিত ,যা অত্যান্ত শক্তিশালী

খুবই ছোট মাত্র ৬৭০KB সফটওয়্যার । যার মাধ্যমে আপনার গোপনীয় ফাইল/ ফোল্ডার কে রাখতে পারেন সুরক্ষিত ,যা অত্যান্ত শক্তিশালী ।
প্রথমে সফটওয়্যারটি কপি করেন নিন, তারপর এটাকে পেষ্ট করুন আপনি যে ফাইল / ফোল্ডার কে লক করতে চান
তারপর সফটওয়্যারটি ডবল ক্লিক করুন । তার নিচের মত স্কিন দেখতে পাবেন যাতে আপনার কাঙ্খিত পাসওয়াড প্রবেশ করান দুই বার । তার পর protect এ ক্লিক করুন  ,ব্যাস আপনার ফোল্ডার লক হয়ে যাবে ।
এবার লকটি খুলতে চাইলে সফটওয়্যারটি ডবল ক্লিক করুন এবার পাসওয়াড চাইবে এবং নিচে তিনটি ওপসন দেখাবে :
এখানে : Temporary = সাময়িক ভাবে খুলবে Restore Protection  দিলে আবার লক হয়ে যাবে ।
Complete = আপনার লকটি একেবারে খুলে যাবে ।

পদার্থবিদ ও ইন্জিয়ারদের জন্য দারুন একটা গনকযন্ত্র

remi

কিছু বৈশিষ্ট্য

  • Includes only the practical engineering unit conversions in each category, making them quick and easy to select. Covers SI Units, Metric Units, Imperial Units, British Engineering Units and US Customary Units.
  • Convert between density and specific volume.
  • Convert decimal lengths directly to and from lengths in feet, inches and fractional inches.
  • Convert between dynamic and kinematic viscosity.
  • Conversion calculator for Brinell, Knoop, EQUOtip (tm), Rockwell, Shore Scleroscope, Tensile Strength and Vickers hardness scales for steels.
  • Convert between volumetric and mass flowrate for liquids or gases. Includes automatic estimation of gas density from molecular mass.
  • Calculate Universal Gas Constant "R" in any combination of units, which can be based on Energy or Pressure x Volume. (Screenshot)
  • Flexible formatting of output, including engineering notation.
  • Full support for clipboard, with clipboard contents always shown on screen.
  • Online calculator during data entry.
  • "Recently-used" list ensures that the categories which you use regularly are available with a single click.
remi

Sunday, July 1, 2012

সফটওয়্যার ছাড়াই ডাউনলোড করুন ইউটিউব ভিডিও!

১. আপনার ব্রাউজার ওপেন করে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে নিচে keepvid সাইটের এর হোম পেজ আসবে নিচের মত...
২. আবার নিচের চিত্রে দেখানো হোমে পেজের উপরের সেকশনে আপনার ইউটিউব ভিডিও’র লিঙ্ক দিয়ে পাশের Download বাটনে ক্লিক করুন...
৩. Download বাটনে ক্লিক করার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে আপনার সামনে একটি সিকিউরিটি এলার্টবক্স আসবে সেটি একসেপ্ট করে Run ক্লিক করুন।
৪. এবার আপনার সামনে ভিডিওটির সব ফরম্যাট(ভিডিও ভেদে ফরম্যাট কম বেশি হবে) হাজির হবে নিচের মত। সেখানে থেকে নিজের ইচ্ছা মত ফরম্যাটে+ভিডিও রেজুলেশন ক্লিক করে ডাউন-লোড করুন! :D

ফোল্ডারকে পাসওয়ার্ড দিয়ে সুরক্ষিত রাখুন, কোন থার্ডপার্টি সফটওয়্যার ছাড়াই!

নিচের ধাপগুলো অনুসরণ করুন।
  • প্রথমে  http://www.mediafire.com/?edmmvdv5rdwlt68ক্লিক করে সম্পূর্ণ কোড কপি করে নিন
  • নোটপ্যাড খুলে কোডগুলো পেষ্ট করুন
lpswd.PNG
  • পেষ্ট করা কোডে উপরের ছবিতে দেখানো যায়গায় আপনার পছন্দের পাসওয়ার্ড টাইপ করুন
  • *.bat এক্সটেনশন দিয়ে সেভ করুন। অর্থাৎ সেভ করার পূর্বে ফাইলটির নাম (যে কোন) দেবার পর .bat (xxxx.bat) দিয়ে তারপর সেভ করুন
  • এবার যে ফাইল বা ফোল্ডার হিডেন করতে চান সেখানে সেভ করা ফাইলটি রাখুন
  • ফাইলটির উপর ডাবল ক্লিক করুন এবং দেখুন সেখানে Locker নামে একটি নতুন ফোল্ডার তৈরি হয়েছে
  • এখন আপনি যেসব ফাইল বা ফোল্ডার সুরক্ষিত রাখতে চান সেগুলো কপি করে এই ফোল্ডারে রাখুন
  • এরপর আবার *.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং Y টাইপ করে Enter দিন
  • দেখুন Locker নামের ফোল্ডারটি গায়েব
  • ফোল্ডারটি ফিরিয়ে আনতে আবার *.bat ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন এবং আপনার দেয়া পাসওয়ার্ডটি টাইপ করে Enter চাপুন
  • দেখুন Locker নামের ফোল্ডারটি আবার ফিরে এসেছে
এভাবে আপনার ব্যক্তিগত ফাইল বা ফোল্ডারকে একই সাথে পাসওয়ার্ড দিতে পারেন এবং লুকিয়েও রাখতে পারেন।